Sports News

[Content Marketing][recentmag]
Footer Logo

২০২১/০৭/০৭

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় Tarasankar Bandyopadhyay

  BAIRAGYA SHIKSHA NIKETAN       ২০২১/০৭/০৭

 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় Tarasankar Bandyopadhyay
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় Tarasankar Bandyopadhyay

বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে এক ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বংশের সন্তান তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) (1898-1971) বাংলা কথাসাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী ছিলেন। রাঢ় অঞ্চলের জীবনযাত্রা, সমাজ, আচার, রীতিনীতি, রাঢ় অঞ্চলের মানুষ তার অধিকাংশ উপন্যাস ও গল্পে উপাদান হিসেবে হাজির হয়েছে। বাংলা উপন্যাস ও ছোটগল্প উভয় ধারাতেই তিনি সমান দক্ষ শিল্পী ছিলেন। তবে তাঁর উপন্যাসগুলি অধিক জনপ্রিয় হয়েছিল। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)এর উপন্যাসের বৈশিষ্ট্যগুলো:


1. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)এর উপন্যাসের ক্লাসিক রীতি লক্ষ্য করা যায়। অর্থাৎ উপন্যাসের কাহিনীকে আধুনিক সময়ের উপযোগী করে তোলার জন্য সমসাময়িক বিপর্যয়ের চিত্রগুলি কাহিনীতে উপস্থাপনের প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। তাঁর উপন্যাসের আয়তন সুবিশাল। গান্ধীবাদী রাজনীতির আদর্শ তাঁর উপন্যাসের মধ্যে অনেক সময় দেখতে পাওয়া যায়। 


2. তারাশঙ্করের উপন্যাসের মধ্যে রাঢ় বাংলা জীবন্ত হয়ে উঠেছে। অনেক সমালোচক তাকে আঞ্চলিক উপন্যাসের পথিকৃৎ বলেছেন। 


3. তারাশঙ্করের উপন্যাসের মধ্যে আঞ্চলিক মানুষের মুখের আঞ্চলিক ভাষা স্থান পেয়েছে। আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং তারাশঙ্করের প্রশংসা করেছিলেন। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর উপন্যাসগুলি ( Tarashankar Bandyopadhay Books/ Tarashankar Bandyopadhay Rachanabali) :


প্রথম জীবনে তারাশঙ্কর কিছু কবিতা ও নাটক নিয়ে বাংলা সাহিত্যের আসরে এসেছিলেন। 'মারাঠা দর্পণ' (1921) নাটক রচনার মধ্য দিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর জীবন শুরু হয়েছিল। তিনি 'ত্রিপত্র' (1926) নামে কাব্য রচনা করেছিলেন। কিন্তু 1928 খ্রিস্টাব্দে কল্লোল (kallol) ও কালিকলম (Kalikalom) পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে কথাসাহিত্যকে তিনি আপন বক্তব্য প্রকাশের বাহনরূপে গ্রহণ করলেন । তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর প্রথম উপন্যাস 'চৈতালি ঘূর্ণি' (Chaitali Ghurni by Tarashankar Bandyopadhay)। প্রথম উপন্যাস থেকেই বোঝা গেল তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় এক নতুন পথের সন্ধান এর চেষ্টা করছেন, পাঠকদের এক নতুন জগতে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন। তার সেই জগতের একদিকে আছে সামন্ততান্ত্রিক ক্ষয়িষ্ণু অক্ষয় চিত্র, অন্যদিকে আছে সদ্য গড়ে ওঠা শিল্পজগতের যান্ত্রিকতা। এই দুয়ের সংঘাত ও পরিণামে সামন্ততান্ত্রিক আভিজাত্যের পরাজয় তার উপন্যাসগুলিকে বেদনাবিধুর করেছে। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর উপন্যাস এর সংখ্যা প্রায় 60 এর কাছাকাছি। 'চৈতালি ঘূর্ণি' (1931), 'পাষাণপুরী' (1933), 'নীলকন্ঠ' (1934), 'প্রেম ও প্রয়োজন' (1935), 'আগুন' (1937), 'ধাত্রীদেবতা' (1939), 'কালিন্দী' (1940), 'গণদেবতা' (1942), 'পঞ্চগ্রাম' (1943), 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' (1947), 'সন্দীপন পাঠশালা' (1946), 'আরোগ্য নিকেতন' (Arogya Niketan Tarasankar Bandyopadhyay) (1953), 'সপ্তপদী' (1957), 'কীর্তিহাটের কড়চা' (1976) প্রভৃতি তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস গুলির অন্যতম। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর নীলকন্ঠ উপন্যাস (Nilkantha by Tarashankar Bandyopadhay) :


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর 'নীলকন্ঠ' (1933) উপন্যাসে নাটকীয় ঘটনার ঘনঘটা দেখতে পাওয়া যায়। শ্রীমন্ত সচ্ছল কৃষক পরিবারের কর্তা। সে একটি অযোগ্য পাত্রের হাতে নিজের ভাগিনেয়ীকে সমর্পণের চেষ্টা করে কিন্তু প্রতিহত হয়ে শেষ পর্যন্ত কারাবরণ করেছে। সীমান্তের কারাবাসের পরে স্বাধীন মানসিকতার গিরির অবস্থা করুণ হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করতে করতে গিরি ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং স্বামীর বন্ধু বিপিনের ইচ্ছার কাছে হার মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক ও পারিবারিক গঞ্জনা সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত সে আত্মহত্যা করেছে। পিতার পরিচয়হীন সন্তান নীলকন্ঠ শ্রীমন্তের কাছে আশ্রয় লাভ করেছে। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'রাইকমল' উপন্যাস (Raikamal by Tarashankar Bandyopadhay) :


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)এর লেখা 'রাইকমল' উপন্যাসে বৈষ্ণব সমাজের রোমান্টিক আবহাওয়া আছে। বৈষ্ণবদের জীবন চর্চা, রাধা ও কৃষ্ণের সেবা, বৈষ্ণব আশ্রমের পরিচর্যা, বিশেষত বৈষ্ণব পদাবলী গান এই উপন্যাসে বিশেষ মাদকতা তৈরি করেছে। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'পাষাণপুরী' উপন্যাস (Pasanpuri by Tarashankar Bandyopadhay) :


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর লেখা 'পাষাণপুরী' একটি উন্নতমানের উপন্যাস। কারাগারের অসুস্থ পরিবেশ এর মধ্যেও মানবতার জয়গান আছে এই উপন্যাসে। এই উপন্যাসের চরিত্র নরুর জীবন দর্শন অন্ধকার পাতালপুরীকে স্বর্গে পরিণত করেছে। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর লেখা 'আগুন' উপন্যাস (Agun Tarashankar Bandyopadhay) :


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)এর প্রথম পর্বের উপন্যাসগুলির মধ্যে 'আগুন' একটি স্মরণীয় উপন্যাস। এই উপন্যাসে অরণ্য প্রকৃতির উপর যন্ত্র শক্তির প্রাধান্য দেখানো হয়েছে। প্রাচীন রীতি নীতির অবলুপ্তি হবে জেনেও তার উপর মমত্ববোধ প্রকাশ করেছেন লেখক। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'ধাত্রীদেবতা' উপন্যাস (Tarasankar Bandyopadhyay Dhatridebota):


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর লেখা 'ধাত্রীদেবতা' 'গণদেবতা' এবং 'পঞ্চগ্রাম' উপন্যাস তিনটিকে একসঙ্গে ট্রিলজি বলা হয়। জমিদারের ছেলে শিবনাথের যৌবন প্রাপ্তির সময়সীমা পর্যন্ত কাহিনী ধাত্রীদেবতা উপন্যাসে আছে। শিবনাথের পিসিমা বলেছিলেন, "জমি বাপের নয়, দাপের"। এই দাপুটে পিসিমায়ের সঙ্গে কোমলস্বভাব এবং স্নেহময়ী মায়ের ব্যক্তিত্বের টানাপোড়েনে চরিত্রটি গঠিত। একইসঙ্গে সেসময়ের রাজনীতি, সন্ত্রাসবাদ এবং গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলন তাকে প্রভাবিত করেছিল। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর লেখা 'গণদেবতা' উপন্যাস (Tarasankar Bandyopadhyay Ganadebota):


'ধাত্রীদেবতা' উপন্যাসের বিপরীত চিত্র আছে গণদেবতা উপন্যাসে। এই উপন্যাসের মূল বিষয় আধুনিক জীবন যাত্রার প্রভাবে কিভাবে গ্রামীণ অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং গ্রামীণ আচার-অনুষ্ঠান অবলুপ্তির পথে এগিয়ে গেছে সেই কাহিনী। গ্রামের জমিদার দ্বারিক চৌধুরী একজন সাধারণ কৃষকের পর্যায়ে নেমে এসেছেন। দেবু পন্ডিত নামে একজন গ্রামে নতুন এক আদর্শের বার্তা নিয়ে এসেছে। মহামহোপাধ্যায় শিবশেখরের ন্যায়রত্ন আর এক স্তরের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। 


তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় এর 'পঞ্চগ্রাম' উপন্যাস (Tarasankar Bandyopadhyay Panchagram):


ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা এবং পঞ্চগ্রাম উপন্যাস এর মধ্যে পঞ্চগ্রাম সবথেকে সার্থক উপন্যাস। এই উপন্যাসে যদিও অতিনাটকীয়তা আছে, তাসত্ত্বেও বলা যায় এর চরিত্রগুলি যথার্থ হয়েছে, বিশেষ করে দেবু ঘোষ এর চরিত্র। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'কালিন্দী' উপন্যাস (Tarasankar Bandyopadhyay Kalindi):


'কালিন্দী' উপন্যাসের বিষয়বস্তু খুব বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ নয়। ধনী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বিমল মুখার্জির সঙ্গে ক্ষয়িষ্ণু জমিদার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির সংঘাত এবং বিমল মুখার্জি জয়ী হওয়ার পূর্বাভাস এই উপন্যাসে আছে। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' (Tarasankar Bandyopadhyay Hansuli Banker Upokatha):


'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' উপন্যাসে বনোয়ারি এবং করালীচরন নামে দুটি চরিত্রে দেখা পাই। এদের একজন প্রাচীন লোকসংস্কার আশ্রিত জীবনের প্রতিনিধি, অন্যজন আধুনিক সময়ের মানুষ। উভয়ের মধ্যে সংঘাত এই উপন্যাসে আছে। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'কবি' উপন্যাস (Tarashankar Bandopadhyay Kobi):


'কবি' উপন্যাসে সংঘাতের চিত্র খুব বেশি নেই। এখানে গ্রাম্য কবিগান এবং ঝুমুর গোষ্ঠীর জীবন যাপনের পদ্ধতি অনেক বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়া লেখকের জীবনের ব্যক্তিগত সমস্যা এখানে প্রকাশ পেয়েছে। এই উপন্যাসে দুটি গান আছে- 'জীবন এত ছোট কেনে' এবং 'ভালোবেসে মিটিল না সাধ'। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'আরোগ্য নিকেতন' (Arogya Niketan Tarasankar Bandyopadhyay) উপন্যাস:


'আরোগ্য নিকেতন' (Arogya Niketan Tarasankar Bandyopadhyay) উপন্যাসে প্রাচীনপন্থী কবিরাজ জীবন মশায়ের সঙ্গে আধুনিককালের ডাক্তারের সংঘাত দেখতে পাই। 


জটিল মনস্তত্ত্বকে নির্ভর করে তিনি লিখেছেন 'বিচারক' উপন্যাস। সপ্তপদী (Tarasankar Bandyopadhyay Saptapadi)উপন্যাসে প্রেম মনস্তত্ত্বের সুন্দর উপস্থাপনা আছে। বৈষ্ণব ধর্ম আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লিখেছেন রাধা (Tarasankar Bandyopadhyay Radha) উপন্যাস। যুদ্ধের পটভূমিকায় প্রেমের উপন্যাস হলো উত্তরায়ণ'। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছোটগল্প (Tarashankar Bandopadhyay short stories / Tarashankar Bandopadhyay Golpo):


বাংলা গল্প রচনার ক্ষেত্রে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)এর অবদান স্মরণীয়। তার লেখা বিখ্যাত গল্প সংকলনগুলি হল- 'জলসাঘর', 'রসকলি', 'হারানো সুর', 'বিষপাথর', 'আলোকাভিসার' ইত্যাদি। তারাশঙ্কর অসংখ্য ছোট গল্প লিখেছেন। প্রতিটি গল্পের ব্যাখ্যা করা অসম্ভব। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গল্প এখানে আলোচনা করছি। 


বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের গল্প:


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)এর লেখা বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের জীবন চিত্র নিয়ে অসাধারণ গল্প 'রসকলি' এবং 'রাই কমল'। 


নিম্নবিত্ত মানুষের গল্প:


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)এর লেখা 'সমুদ্র মন্থন' গল্পে অতি নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন চিত্র আছে। 'ইমারত' গল্পে এক দরিদ্র রাজমিস্ত্রির জীবনের কাহিনী আছে। 


জীর্ণ সামন্ততন্ত্রের গল্প:


তারাশঙ্করের বেশকিছু গল্পে সামন্ততন্ত্রের ক্ষয়িষ্ণু চেহারা প্রকাশ পেয়েছে এবং তার প্রতি লেখকের একটা ভালোবাসার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে 'জলসাঘর' গল্পের নাম উল্লেখ করতে পারি। 


প্রবৃত্তি বিষয়ক গল্প:


মানুষের আদিম রিপু এবং জৈবিক প্রবৃত্তি নিয়ে তারাশংকর বেশ কিছু গল্প লিখেছিলেন। 'বেদেনী'  গল্পের দেখা যায় রাঢ় বাংলার বেদে সম্প্রদায় এই গল্পে স্থান পেয়েছে। তারা গ্রামে গঞ্জে মেলায় বাজিকরের খেলা দেখায়। এই গল্পের এক চরিত্র শিবু। তার সঙ্গিনী রাধিকা প্রথমে কিষ্টোর খেলা বেশি জমেছে বলে তাকে মেরে ফেলার জন্য তার তাবুতে গিয়েছিল। কিন্তু কিষ্টোর যৌবন কামনার কাছে সে ধরা দেয় এবং তার সঙ্গে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার আগে অকারনে শিবুকে পুড়িয়ে মারে। 


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর আরেকটি ছোট গল্প 'তারিণী মাঝি' (Tarashankar Bandopadhyay Tarini Majhi)। তারিণী মাঝি তার বউ সুখীকে অত্যন্ত ভালোবাসতো। প্রবল বন্যায় যখন তারা দুজনে ভেসে যাচ্ছিল এবং জীবনের সংশয় তৈরি হয়েছিল তখন তারিণী মাঝি তার স্ত্রী সুখীকে সঙ্গে নিয়ে সাঁতার কাটতে পারেনি, বরং তাকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। 


মনস্তত্ত্বনির্ভর গল্প:


তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর লেখা 'তাসের ঘর', 'নুটু মোক্তারের সওয়াল', 'না' (Naa Tarasankar Bandyopadhyay) ইত্যাদি হল মনস্তত্ত্বনির্ভর ছোটগল্প। 


এছাড়া তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay) এর লেখা অন্যান্য গল্পগুলি হল, 'ডাইনী', 'অগ্রদানী' (Agradani Tarasankar Bandyopadhyay), 'মুহূর্ত', 'ছলনাময়ী' ইত্যাদি। 


বাংলা কথা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরুষ ছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (Tarasankar Bandyopadhyay)। 


।। সমাপ্ত।।


logoblog

Thanks for reading বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় Tarasankar Bandyopadhyay

Previous
« Prev Post

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Please do not enter any spam links in the comment box.